Home At a Glance

nuseba.online-এ স্বাগতম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা এখন ঘরে বসেই!

সার্টিফিকেট উত্তোলন, ট্রান্সক্রিপ্ট, মার্কশিট বা নাম সংশোধন—যেকোনো সেবার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করুন। দ্রুত, নির্ভুল ও নিরাপদে আপনার কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব আমাদের।

✅ দ্রুত প্রসেসিং 🔒 ১০০% নিরাপদ 📞 সার্বক্ষণিক সাপোর্ট

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. nuseba.online কী এবং আপনারা কী ধরনের সেবা প্রদান করেন?
nuseba.online হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (NU) শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সার্ভিস পোর্টাল। আমরা শিক্ষার্থীদের মূল সনদ উত্তোলন, ট্রান্সক্রিপ্ট, নাম বা সাল সংশোধন, হারানো ডকুমেন্টস উত্তোলন, WES-ECA প্রসেসিং এবং এপোস্টিল (Apostille) সত্যায়নের মতো কাজগুলো দ্রুত ও নিরাপদে সম্পন্ন করতে সহায়তা করি।
২. সার্ভিস ফি বা পেমেন্ট কীভাবে প্রদান করতে হবে?
আপনি খুব সহজেই বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। আবেদন ফর্ম পূরণ করার সময় সেখানে আমাদের অফিসিয়াল বিকাশ/ন নগদ নাম্বার দেওয়া থাকবে। ওই নাম্বারে ফি সেন্ড মানি করে আপনার ট্রানজেকশন আইডি (TrxID) ফর্মে বসিয়ে দিলেই পেমেন্ট সম্পন্ন হবে।
৩. আমার ব্যক্তিগত ও একাডেমিক ডকুমেন্টস আপলোড করা কি নিরাপদ?
১০০% নিরাপদ। শিক্ষার্থীদের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টস শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার করা হয় এবং কাজ শেষে তা আমাদের সার্ভার থেকে সুরক্ষিতভাবে মুছে ফেলা হয়।
৪. কাজ শেষে আমি আমার মূল ডকুমেন্টস (হার্ডকপি) কীভাবে হাতে পাব?
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনার অরিজিনাল ডকুমেন্টস উত্তোলনের পর আমরা তা সুন্দরবন কুরিয়ার, এসএ পরিবহন বা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি আপনার দেওয়া ঠিকানায় পাঠিয়ে দেব।
৫. আমার আবেদনের বর্তমান অবস্থা (Status) কীভাবে জানব?
আবেদন গৃহীত হওয়ার পর এবং কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আমরা আপনাকে ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আপডেট জানিয়ে দেব। এছাড়া যেকোনো সময় আমাদের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে আপনি আপনার অর্ডারের বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন।

আমাদের গ্রাহকরা কী বলছেন?

nuseba.online থেকে সেবা নেওয়া শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা

★★★★★

“আমার মূল সনদ উত্তোলনের জন্য অনেক দিন ধরে ঘুরছিলাম। এখান থেকে আবেদন করার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই সুন্দরবন কুরিয়ারে আমার অরিজিনাল সার্টিফিকেট পেয়েছি। অসংখ্য ধন্যবাদ nuseba.online-কে!”

R

রাকিবুল হাসান

সার্ভিস: মূল সনদ উত্তোলন
★★★★★

“নাম সংশোধনের কাজটা অনেক ঝামেলার মনে হতো। কিন্তু আপনারা খুব সুন্দরভাবে পুরো প্রসেসটি করে দিয়েছেন। সাপোর্টে যারা ছিলেন তারা সবসময় আপডেট দিয়েছেন। সার্ভিসটি সত্যিই অসাধারণ।”

S

সাদিয়া আফরিন

সার্ভিস: নাম সংশোধন
★★★★☆

“বিদেশে মাস্টার্সের জন্য ECA প্রসেসিং খুব জরুরি ছিল। আপনারা দায়িত্ব নিয়ে WES এর কাজ করে দিয়েছেন। ফি-টাও অন্যান্য এজেন্সির তুলনায় বেশ রিজনেবল মনে হয়েছে।”

T

তানভীর আহমেদ

সার্ভিস: WES-ECA প্রসেসিং

আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন

মূল সনদ

মূল সনদ সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর

১. মূল সনদ (Original Certificate) উত্তোলনে কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?
আবেদনের জন্য আপনাকে নিচের ডকুমেন্টসগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে:
• কলেজ ফরোয়ার্ডিং কপি
• রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর কপি
• প্রবেশপত্র (Admit Card)
• সাময়িক সনদ (Provisional Certificate)
• মার্কশীট বা ট্রান্সক্রিপ্ট
২. মূল সনদ সংগ্রহের সময় কি সাময়িক সনদ জমা দিতে হবে?
হ্যাঁ, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। মূল সনদ (Main Certificate) বুঝে নেওয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই পূর্বের সাময়িক সনদটি (Provisional Certificate) অরিজিনাল কপি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে।
৩. মূল সনদ উত্তোলনের সরকারি আবেদন ফি কত?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী মূল সনদের জন্য আপনাকে ৬০৬/- (ছয়শত ছয় টাকা) ব্যাংক ড্রাফট বা অনলাইন পেমেন্ট করতে হবে।
৪. আবেদন ফি কি অনলাইনে দেওয়ার সুযোগ আছে?
অবশ্যই। আবেদন ফি সোনালী সেবার পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, নগদ অথবা যেকোনো ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
৫. nuseba.online কীভাবে আমাকে সাহায্য করতে পারে?
আমরা আপনার হয়ে সকল ডকুমেন্টস যাচাই-বাছাই করে সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন সম্পন্ন করি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজগুলো প্রসেসিং করতে সহায়তা করি। কাজ শেষ হলে আপনার অরিজিনাল সনদটি আমরা নিরাপদ কুরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে দেই।

মূল সনদ (Original Certificate) উত্তোলন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক/স্নাতকোত্তর মূল সনদ উত্তোলনের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

📄 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
  • সংশ্লিষ্ট কলেজের ফরোয়ার্ডিং কপি
  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর ফটোকপি
  • পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card)
  • সাময়িক সনদ (Provisional Certificate)
  • মার্কশীট (Academic Transcript)
⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: মূল সনদ (Original Certificate) সংগ্রহের সময় আপনাকে অবশ্যই আগের ইস্যুকৃত অরিজিনাল সাময়িক সনদ (Provisional Certificate) বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। এটি ছাড়া মূল সনদ প্রদান করা হয় না।
💰 আবেদন ফি ও পেমেন্ট

ব্যাংক ড্রাফট / অনলাইন ফি

৳ ৬০৬/-

সোনালী সেবা বা অনলাইন গেটওয়ে

ফি মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।

bkash nagad card
আবেদন শুরু করুন

ট্রান্সক্রিপ্ট

ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর

১. ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনে কী কী ডকুমেন্টস প্রয়োজন?
ট্রান্সক্রিপ্ট আবেদনের জন্য আপনাকে নিচের ডকুমেন্টসগুলো অবশ্যই প্রদান করতে হবে:
  • সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ মূল আবেদন পত্র
  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর ফটোকপি
  • সকল বর্ষের পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Cards)
  • সাময়িক সনদ (Provisional Certificate)
  • নম্বরপত্র (Marksheet)
  • পূর্ববর্তী পরীক্ষার সনদ (ডিগ্রী/অনার্সের জন্য HSC সার্টিফিকেট এবং মাস্টার্সের জন্য ডিগ্রী/অনার্স সার্টিফিকেট)
২. ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের সরকারি আবেদন ফি কত?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রান্সক্রিপ্টের আবেদনের জন্য আপনাকে ৭০৭/- (সাতশত সাত টাকা) ব্যাংক ড্রাফট বা অনলাইন ফি জমা দিতে হবে।
৩. আবেদন ফি কীভাবে পরিশোধ করা যাবে?
আপনি আপনার সুবিধামতো সোনালী সেবার পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস যেমন- বিকাশ, নগদ ইত্যাদি ব্যবহার করে খুব সহজেই ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
৪. কলেজের সুপারিশ বা ফরোয়ার্ডিং কি বাধ্যতামূলক?
হ্যাঁ, ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক সুপারিশকৃত আবেদন পত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এটি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়।
৫. nuseba.online-এর মাধ্যমে ট্রান্সক্রিপ্ট নিলে সুবিধা কী?
আমরা আপনার হয়ে সকল ডকুমেন্টস সঠিকভাবে সাজিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেই এবং দ্রুততম সময়ে ট্রান্সক্রিপ্ট প্রসেসিং নিশ্চিত করি। আপনাকে কষ্ট করে লাইনে দাঁড়াতে বা বারবার যোগাযোগ করতে হবে না; কাজ শেষ হলে আমরা নিরাপদ কুরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় ট্রান্সক্রিপ্ট পৌঁছে দেব।

ট্রান্সক্রিপ্ট (Academic Transcript) উত্তোলন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

📄 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
  • সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ আবেদন পত্র
  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর ফটোকপি
  • সকল বর্ষের পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Cards)
  • সাময়িক সনদ (Provisional Certificate)
  • একাডেমিক নম্বরপত্র (Marksheet)
  • HSC বা পূর্ববর্তী পরীক্ষার মূল সনদ
⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: ট্রান্সক্রিপ্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ডিগ্রি/অনার্স পর্যায়ের জন্য HSC সার্টিফিকেট এবং মাস্টার্স পর্যায়ের জন্য ডিগ্রি/অনার্স সার্টিফিকেট প্রদান করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া সকল বর্ষের প্রবেশপত্র সঠিক থাকা জরুরি।
💰 আবেদন ফি ও পেমেন্ট

ব্যাংক ড্রাফট / অনলাইন ফি

৳ ৭০৭/-

সোনালী সেবা বা অনলাইন গেটওয়ে

ফি মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।

bkash nagad card
আবেদন শুরু করুন

সংশোধন

সংশোধন সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসা

১. সংশোধন প্রক্রিয়াটি কীভাবে শুরু করতে হয়?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আপনাকে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করতে হবে। এটি সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল প্রবেশপত্র এবং পরবর্তীতে সনদ সংশোধনের আবেদন করা যাবে।
২. প্রতিটি ডকুমেন্টের জন্য কি আলাদা ফি দিতে হয়?
হ্যাঁ, রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ফি ৭০৭/- টাকা। একইভাবে প্রবেশপত্র এবং সনদ সংশোধনের ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে ফি প্রদান করতে হয়।
৩. ফ্রেশ কপি (Fresh Copy) বলতে কী বোঝায়?
আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড বা সনদ যখন অনলাইনে সংশোধন হয়ে যায়, তখন সেই সংশোধিত তথ্যের ভিত্তিতে নতুন একটি কপি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হয়। একেই ফ্রেশ কপি বলা হয়। সংশোধন শেষে ফ্রেশ কপি সংগ্রহ না করলে আপনার পূর্বের ভুল কপিগুলোই থেকে যাবে।
৪. পিতা-মাতার এনআইডি (NID) কেন প্রয়োজন?
যদি আপনার পিতা বা মাতার নাম সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তবে তাদের এনআইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাটাবেজ আপডেট করা হয়। তাই এটি একটি বাধ্যতামূলক ডকুমেন্ট।

রেজি: কার্ড সংশোধন

প্রবেশপত্র সংশোধন

সনদ ও নম্বরপত্র

অনলাইন ডাটা ও ফ্রেশ কপি

📄 রেজি: কার্ড সংশোধনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
  • কলেজ ফরোয়ার্ডিং কপি (অধ্যক্ষের সুপারিশসহ)
  • মূল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড
  • পরীক্ষার প্রবেশপত্র
  • একাডেমিক মার্কশীট ও সাময়িক সনদ
  • এসএসসি (SSC) ও এইচএসসি (HSC) মূল সনদ
  • বোর্ড কারেকশন লেটার (যদি থাকে)
  • আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয় পত্র (NID)
  • সংশোধন অনুযায়ী পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র
💡 মনে রাখা জরুরি: প্রতিটি ডকুমেন্ট সংশোধন হওয়ার পর আপনাকে অবশ্যই অনলাইন ডাটা আপডেট নিশ্চিত করতে হবে এবং সর্বশেষ ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “ফ্রেশ কপি (Fresh Copy)” উত্তোলন করতে হবে না।
সংশোধন আবেদন ফি (প্রতিটি ধাপ)
৳ ৭০৭/-

ব্যাংক ড্রাফট অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।

bkash nagad rocket
সংশোধনের জন্য আবেদন করুন

সংশোধন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা

প্রক্রিয়াটি কেন আলাদা?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ডকুমেন্ট সংশোধন না করে পরেরটি করা যায় না। তাই রেজি: কার্ড সংশোধনের পরই কেবল প্রবেশপত্র সংশোধন করা সম্ভব।

কতদিন সময় লাগে?

প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-২০ কর্মদিবস সময় লাগে। তবে দাপ্তরিক কাজের ওপর ভিত্তি করে এটি পরিবর্তন হতে পারে।

হারানো / দ্বিনকল

হারানো সনদ সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসা

১. সনদ হারিয়ে গেলে প্রথম কাজ কী?
প্রথমেই আপনাকে নিকটস্থ থানায় একটি জিডি (GD) করতে হবে এবং একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় “হারানো বিজ্ঞপ্তি” দিতে হবে। এই দুটি কাজ ছাড়া দ্বিনকল সনদের আবেদন করা যাবে না।
২. আবেদন ফরম কোথায় পাব?
কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আবেদন করতে হয়। আপনি আমাদের পোর্টালে আবেদন করলে আমরা আপনাকে সঠিক ফরম্যাট এবং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাহায্য করব।
৩. ফি কি প্রতি ডকুমেন্টের জন্য আলাদা?
হ্যাঁ, প্রতিটি আলাদা ডকুমেন্টের (যেমন- মূল সনদ, মার্কশীট বা প্রবেশপত্র) দ্বিনকল কপির জন্য আলাদাভাবে ৭০৭/- টাকা ফি এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করতে হবে।
৪. nuseba.online কীভাবে সহায়তা করবে?
আমরা আপনার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজগুলো সম্পন্ন করি। আপনার জিডি এবং পত্রিকার তথ্য দিয়ে আবেদন সাবমিট করা থেকে শুরু করে কুরিয়ারে ডকুমেন্ট পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত আমরা পুরো সার্ভিস প্রদান করি।

দ্বিনকল (Duplicate) সনদ উত্তোলন

ডকুমেন্ট হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে পুনরায় উত্তোলনের নিয়মাবলী

📄 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সমূহ

  • কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ আবেদনপত্র
  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর ফটোকপি
  • পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card)
  • নিকটস্থ থানার জিডি (GD) কপি
  • পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তির মূল কপি
⚠️ বিশেষ সতর্কবার্তা: বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বি-নকল (Duplicate) ডকুমেন্টস গ্রহণ করার সময় আপনাকে অবশ্যই থানার জিডি (GD) এবং পত্রিকার বিজ্ঞপ্তির মূল কপি সশরীরে জমা দিতে হবে। ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
দ্বিনকল আবেদন ফি
৳ ৭০৭/-

বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করুন

সত্যায়ন

সনদ ও নম্বরপত্র সত্যায়ন (Verify/Attestation)

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ও মার্কশীট সত্যায়ন প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

📄 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও করণীয়
  • পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর লিখিত আবেদন পত্র বা দরখাস্ত।
  • সনদ বা নম্বরপত্রের মূল কপি (Original) অবশ্যই সাথে আনতে হবে।
  • মূল কপি ও ফটোকপির সাথে এক সেট অতিরিক্ত ফটোকপি জমা দিতে হবে।
  • সকল ডকুমেন্টস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের One Stop Service Center-এ জমা দিতে হবে।
💡 মনে রাখা জরুরি: সত্যায়নের জন্য মূল কপি এবং ফটোকপির পাশাপাশি প্রতিটি ডকুমেন্টের একটি করে অতিরিক্ত ফটোকপি অফিসিয়াল রেকর্ডের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
সত্যায়ন ফি (প্রতি কপি)
৳ ৪০০/-

সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য

পেমেন্ট পদ্ধতি:
সত্যায়নের পেমেন্ট পে-স্লিপের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় পে-স্লিপ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের One Stop Service থেকে সরাসরি সংগ্রহ করতে হবে।
সত্যায়নের জন্য যোগাযোগ করুন

MOI

MOI ও প্রত্যয়নপত্র (English Version)

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক প্রত্যয়নপত্র উত্তোলনের নির্দেশিকা

কোন বিষয়ের শিক্ষার্থীরা কোন সনদ পাবে?

🎓 MOI পাবে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র ইংরেজি বিষয়ে অনার্স বা মাস্টার্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা MOI (Medium of Instruction) পাবে।

📜 English Version পাবে

বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সকল বিষয়, বিএড, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, এল.এল.বি এবং সকল প্রফেশনাল কোর্সের শিক্ষার্থীরা ইংলিশ ভার্শন প্রত্যয়নপত্র পাবে।

✅ Minimum Passing Grade পাবে

বাংলা, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন এবং সকল ডিগ্রী (পাস) কোর্সের শিক্ষার্থীরা ‘মিনিমাম পাসিং গ্রেড’ সনদ পাবে।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. আমি বাংলায় অনার্স করেছি, আমি কি MOI পাব?
না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী যারা ইংরেজিতে পড়াশোনা করেনি তারা MOI পাবে না। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা “Minimum Passing Grade” সনদটি পাবেন।
২. আবেদন পত্রটি কার বরাবর লিখতে হবে?
আবেদন পত্রটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখতে হবে।
৩. আবেদন ফি কত এবং কীভাবে পেমেন্ট করব?
আবেদন ফি বাবদ ৳ ৮০৬/- সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ব্যাংক ড্রাফট বা পে-স্লিপের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

📄 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সমূহ

  • সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ রিকমেন্ডেশন লেটার
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত আবেদন পত্র
  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড-এর ফটোকপি
  • শেষ বর্ষের পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card)
  • সাময়িক সনদ (Provisional Certificate)
  • একাডেমিক নম্বরপত্র (Marksheet)
আবেদন ফি (সকলের জন্য)
৳ ৮০৬/-

সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে।

সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করুন

এপোস্টিল

এপোস্টিল (Apostille) সত্যায়ন

বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও ইমিগ্রেশনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এপোস্টিল সত্যায়নের সম্পূর্ণ গাইডলাইন

🌐 এপোস্টিল (Apostille) আসলে কী?

এপোস্টিল হলো কোনো দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া একটি বিশেষ ধরনের আন্তর্জাতিক সত্যায়ন বা সিল। “দ্য হেগ কনভেনশন” (The Hague Convention) ভুক্ত ১২০টিরও বেশি দেশে এই সত্যায়ন সরাসরি গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে যুক্ত হওয়ায়, এখন আপনার সার্টিফিকেটে এপোস্টিল করা থাকলে বিদেশে সংশ্লিষ্ট দেশের অ্যাম্বাসি বা দূতাবাস থেকে আর আলাদাভাবে সত্যায়ন (Embassy Attestation) করার প্রয়োজন হয় না

এপোস্টিল সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. এপোস্টিল এবং সাধারণ সত্যায়নের (Attestation) মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণ সত্যায়ন সাধারণত দেশের ভেতরের কাজে বা নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, এপোস্টিল হলো একটি আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ও স্টিকার-যুক্ত সিল, যা হেগ কনভেনশন ভুক্ত যেকোনো দেশে আইনিভাবে আপনার সনদের মূল কপি হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করে।
২. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাগজপত্রে এপোস্টিল করার ধাপগুলো কী কী?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (NU) ডকুমেন্টস এপোস্টিল করার জন্য ৩টি ধাপ পার হতে হয়:

ধাপ ১: প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনার সনদের ভেরিফিকেশন বা সত্যায়ন করতে হবে।
ধাপ ২: এরপর সেটি বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় (MOE) থেকে সত্যায়ন করাতে হবে।
ধাপ ৩: সর্বশেষ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সত্যায়িত কপিটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) থেকে এপোস্টিল করাতে হবে।
৩. এপোস্টিল করতে কী কী ডকুমেন্টস লাগে?
এপোস্টিল করার জন্য সাধারণত নিচের ডকুমেন্টসগুলো প্রয়োজন হয়:
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তোলিত মূল সনদ এবং মার্কশীট
  • আবেদনকারীর পাসপোর্টের কপি (ভিসা বা উচ্চশিক্ষার প্রমাণস্বরূপ)।
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কপি।
৪. কোন কোন দেশে যাওয়ার জন্য এপোস্টিল প্রয়োজন?
ইউরোপের প্রায় সকল দেশ (যেমন- জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি), আমেরিকা (USA), যুক্তরাজ্য (UK), অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ হেগ কনভেনশন ভুক্ত ১২০টিরও বেশি দেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ বা ওয়ার্ক ভিসার জন্য ডকুমেন্টস এপোস্টিল করা বাধ্যতামূলক।
৫. nuseba.online কীভাবে আমাকে এপোস্টিল সার্ভিসে সাহায্য করবে?
যেহেতু এপোস্টিল করার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে শিক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যন্ত দৌড়াদৌড়ি করতে হয়, তাই প্রক্রিয়াটি বেশ সময়সাপেক্ষ। আমরা আপনার হয়ে NU ভেরিফিকেশন থেকে শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সকল ধাপ সম্পন্ন করে এপোস্টিল করা ডকুমেন্টস আপনার হাতে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিই।

MY

nuseba.online সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমাদের সেবা নেওয়ার আগে আপনাদের কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন

১. আপনারা কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিসিয়াল প্রতিষ্ঠান?
না, আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান নই। আমরা একটি বিশ্বস্ত কনসালটেন্সি বা সার্ভিসিং এজেন্সি। যেসব শিক্ষার্থী দূরে থাকেন বা সময়স্বল্পতার কারণে সশরীরে গাজীপুর গিয়ে কাজ করতে পারেন না, আমরা তাদের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজগুলো সম্পন্ন করে দিই।
২. আমি নিজে না গিয়ে আপনাদের মাধ্যমে কেন কাজ করাব?
সশরীরে গাজীপুর গিয়ে কাজ করতে আপনার যাতায়াত, থাকা-খাওয়া এবং কয়েকদিনের মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে। এছাড়া সঠিক নিয়মকানুন না জানার কারণে অনেক সময় একদিনে কাজ হয় না। nuseba.online-এর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই সামান্য কিছু সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে আপনার ডকুমেন্টস তুলে নিতে পারবেন।
৩. আপনাদের কাছে মূল ডকুমেন্টস (Original Documents) পাঠানো কি নিরাপদ?
অবশ্যই, ১০০% নিরাপদ। আমরা বিগত দিনে অসংখ্য শিক্ষার্থীর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। আপনাদের পাঠানো অরিজিনাল ডকুমেন্টস আমাদের কাছে আমানত। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন সনদের সাথে আপনাদের পুরোনো বা মূল ডকুমেন্টস সযতনে কুরিয়ারের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়।
৪. যেকোনো কাজ সম্পন্ন হতে কতদিন সময় লাগে?
কাজের ধরনের ওপর ভিত্তি করে সময় নির্ভর করে। সাধারণ সনদ বা ট্রান্সক্রিপ্ট তুলতে সাধারণত ৭-১০ কর্মদিবস সময় লাগে। তবে সংশোধন (Correction) বা এপোস্টিল (Apostille) এর মতো কাজগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী ১৫-২৫ দিন বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
৫. কাজ শেষে ডকুমেন্টস কীভাবে ডেলিভারি পাব?
কাজ সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আপনাকে কনফার্মেশন মেসেজ বা কল দিয়ে জানাব। এরপর আপনার দেওয়া ঠিকানায় বাংলাদেশের স্বনামধন্য কুরিয়ার সার্ভিস (যেমন: সুন্দরবন, এসএ পরিবহন বা পাঠাও) এর মাধ্যমে নিরাপদে ডকুমেন্টস হোম ডেলিভারি করা হবে।